বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে তিনজন ডিআইজি, ছয়জন অতিরিক্ত ডিআইজি, চারজন পুলিশ সুপার, চারজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং একজন সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তা রয়েছেন।
তিন ডিআইজি হলেন- ডিএমপির সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম ও সাবেক ডিবিপ্রধান ডিআইজি (কমানড্যান্ট) মহা. আশরাফুজ্জামান।
ছয় অতিরিক্ত ডিআইজি হলেন- ডিএমপি ডিবির সাবেক যুগ্ম কমিশনার সঞ্জিত কুমার রায়, রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত শ্যামল কুমার মুখার্জী, ট্যুরিস্ট পুলিশের মো. মনিরুজ্জামান, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত রিফাত রহমান শামীম, খাগড়াছড়ি বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ জায়েদুল আলম এবং র্যাব-১০ এর সাবেক অধিনায়ক এপিবিএন পার্বত্য জেলার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন। চার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হলেন- খুলনা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের হাসান আরাফাত, কক্সবাজার উখিয়া এপিবিএনের রাজন কুমার দাস, পুলিশ স্টাফ কলেজের মির্জা সালাউদ্দিন এবং এবং বিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার রাশেদুল ইসলাম।
এ ছাড়া পুলিশ স্টাফ কলেজের সহকারী পুলিশ সুপার মো. হাবিবুল্লাহ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ১৮ জন কর্মকর্তাকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ৩(গ) অনুযায়ী পলায়নের শাস্তিযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হওয়ায় বিধি ১২ উপবিধি (১) অনুযায়ী তাদের নামের পাশে উল্লিখিত তারিখ থেকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।
সাময়িক বরখাস্তকালীন তারা খোরপোষ ভাতা পাবেন এবং জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো।
চার পুলিশ সুপার হলেন- ডিএমপির উত্তরা বিভাগের সাবেক ডিসি চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত কাজী আশরাফুল আজীম, ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান, এটিইউয়ে কর্মরত মো. আবু মারুফ হোসেন এবং রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত আয়েশা সিদ্দিকা।
https://slotbet.online/