• সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:০০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম :
বরখাস্ত হওয়া আলোচিত সেই ১৮ পুলিশ কর্মকর্তার তালিকা আহবায়ক কমিটি গঠন তিন মাসের, বছরের পর বছর পার হলেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেনি বিভিন্ন জেলা উপজেলায়। বেলাব উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুল করিমের উদ্যোগে নারকেল গাছের চারা রোপন জনগণের আস্থা ও দলের জন্য কাজ করাই আমার লক্ষ্য ইতালিতে ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারালো নরসিংদীর যুবক, প্রবাসীদের মধ্যে শোক ও উৎকন্ঠা সংবাদকর্মীরা সব স্থানে ও সব অফিসে প্রবেশ করতে পারবেন বেলাব উপজেলায় স্বতন্ত্র সংসদীয় আসন বাস্তবায়ন পরিষদের কমিটি ঘোষণা নরসিংদীর বেলাবতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ১, পুলিশসহ আহত ১০ একজন এনায়েতউদ্দিন মোঃ কায়সার খানের স্বপ্ন ছোঁয়ার গল্প নরসিংদীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।

অভিনয় এবং রাজনীতি ছাড়ছেন সোহেল রানা!

Reporter Name / ১২৫ Time View
Update : শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৫

চলচ্চিত্রের বরেণ্য অভিনেতা ও প্রযোজক সোহেল রানা। দীর্ঘ অভিনয় ক্যারিয়ারে তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।  চলচ্চিত্রের পাশাপাশি রাজনীতির মাঠেও পাওয়া গেছে তাকে। অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিনয়কে বিদায় বলে দিলেন এই বরেণ্য চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব। জানালেন রাজনৈতিক কর্মকান্ডেও আর দেখা যাবে না তাকে।

এ প্রসঙ্গে সোহেল রানা বলেন ‘১৯৭৩ সালে অভিনেতা হিসেবে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলাম। সেই হিসাবে প্রায় ৫২ বছর হয়ে গেছে। চলতে চলতে তো একসময় শেষ হতেই হয়। অভিনয়টা এখনো বুকের মধ্যে লালন করলেও প্রফেশনাল অভিনয়ে আর দেখা যাবে না আমাকে। অ্যাকটিভ রাজনীতি ও প্রফেশনাল অভিনয় থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নতুন করে আর পর্দায় দেখা যাবে না। শরীরটাও আর সাপোর্ট করছে না।

তবে এখনো একটা সিনেমা পরিচালনা করার ইচ্ছা আছে তাঁর। মূলত বয়সের কারণেই অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সোহেল রানা। অভিনয় থেকে অবসরের সবচেয়ে বড় কারণ বয়স। এখন তার বয়স ৭৯ বছর।

অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানানোর সময় দেশের চলচ্চিত্রজগৎ নিয়ে নিজের আক্ষেপের কথা জানিয়ে সোহেল রানা বলেন, ‘চলচ্চিত্রজগৎ তো এখন শেষ। এখন দু-চারজন যারা করছে, তাদের সঙ্গে আমাদের প্রজন্মের মিলছে না। যেভাবে আমাদের ব্যবহার করার কথা, তেমন উপযুক্ততা তাদের নেই। বিদেশি সিনেমায় দেখি, আমাদের বয়সের শিল্পীরা দিব্যি কাজ করছেন। তাদের জন্য আলাদাভাবে চরিত্র ও গল্প লেখা হচ্ছে। কিন্তু আমাদের দেশে সে রকম কিছু হচ্ছে না। আমাদের এখানে শিল্পীদের বয়স হয়ে গেলে শুধু বাবা-মা, চাচাদের ক্যারেক্টার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। পারফর্ম করার সুযোগ থাকলে এ ধরনের চরিত্রে অভিনয় করা কোনো সমস্যা নয়। কিন্তু তা না হলে তো অভিনয়ের কোনো মানে হয় না। আমি সেই জায়গায় থেকেই চলে যেতে চাই। মানুষ আমাকে ভালোবাসে, সম্মান করে। মানুষের এই ভালোবাসা নিয়ে আমি সরে যেতে চাচ্ছি।’

বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’-এর প্রযোজক হিসেবে চলচ্চিত্রজগতে প্রবেশ করেন মাসুদ পারভেজ ওরফে সোহেল রানা। সিনেমাটি ১৯৭২ সালে মুক্তি পায়। সোহেল রানার অভিনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ এর দুই বছর পর ১৯৭৪ সালে কাজী আনোয়ার হোসেনের বিখ্যাত চরিত্র মাসুদ রানা হিসেবে।

‘মাসুদ রানা’  সিনেমাটা পরিচালনাও করেছিলেন তিনি। এরপর হয়ে ওঠেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক। তাকে সর্বশেষ দেখা গেছে তানভীর হোসেনের ‘মধ্যবিত্ত’ সিনেমায়। যদিও এক দশক ধরে সিনেমায় অনেকটা অনিয়মিত তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/